dhakarkhobor24.com
প্রকাশ : May 8, 2026 ইং

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মদিন আজ

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৫তম জন্মবার্ষিকী আজ। ১২৬৮ বঙ্গাব্দের ২৫ বৈশাখের এই দিনে কলকাতার জোড়াসাঁকোর বিখ্যাত ঠাকুর পরিবারে তার জন্ম।

তিনি একাধারে কবি, ঔপন্যাসিক, নাট্যকার, সংগীতজ্ঞ, প্রাবন্ধিক, দার্শনিক, ভাষাবিদ, চিত্রশিল্পী ও গল্পকার। আট বছর বয়সে তিনি কবিতা লেখা শুরু করেন, রচনা করেন ২ হাজার গান।
গীতাঞ্জলি কাব্যগ্রন্থের জন্য ১৯১৩ সালে নোবেল পুরস্কার পেয়ে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যকে বিশ্বসাহিত্যের দরবারে উঁচু আসনে প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন তিনি।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মদিনে তার আত্মার অনন্ত শান্তি কামনা করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে তিনি লেখেন, বাংলা সাহিত্যের মহোত্তম কণ্ঠস্বর বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৫তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে তার অমর অম্লান স্মৃতির প্রতি জানাই গভীর শ্রদ্ধা। তার বিদেহী আত্মার জন্য কামনা করি অনন্ত শান্তি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিশ্বশান্তি ও মানবকল্যাণই ছিল তার অবিনাশী সৃজনশীলতার মূল অন্বেষা। কাব্য, সংগীত, ছোটগল্প, উপন্যাস, নাটক, নৃত্যনাট্য, চিত্রকলার পরতে পরতে এই মানুষ, মানবতা, শান্তি, প্রেম ও প্রকৃতির জয়গান গেয়েছেন অনন্যসাধারণ শৈল্পিক কুশলতায়, যা আমাদের সাহিত্য, সংস্কৃতি ও চিন্তার জগতের অমূল্য সম্পদ। তার সারা জীবনের যুক্তিবোধ ও মঙ্গলভাবনা থেকেই তিনি আন্তর্জাতিকতার মর্মকে বিশ্বময় ছড়িয়ে দিতে অকুণ্ঠ থেকেছেন সবসময়।

তারেক রহমান লেখেন, আমাদের জাতীয় জীবনের বহু ক্ষেত্রে বিশ্বকবির অবদান অনস্বীকার্য। আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধে রবীন্দ্রনাথের গান হয়ে উঠেছিল প্রেরণার বিশেষ উৎস। শাশ্বত বাংলার মানুষের দুঃখ-কষ্ট, আনন্দ-বেদনা অর্থাৎ সব অনুভব বিশ্বস্ততার সঙ্গে উঠে এসেছে রবীন্দ্রসাহিত্যে। সাধারণ মানুষের দুঃখ-বেদনার কথক হিসেবে যে রবীন্দ্রনাথকে আমরা পেয়েছি তা তৎকালীন পূর্ববঙ্গ তথা আজকের বাংলাদেশেরই সৃষ্টি।

তিনি উল্লেখ করেন, রবীন্দ্রনাথের অনবদ্য সৃষ্টি ‘আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি’ আমাদের জাতীয় সংগীত হিসেবে আজ প্রতিষ্ঠিত।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, রবীন্দ্রনাথ বিশ্বজুড়ে আলোচনায় আসেন ১৯১৩ সালে, গীতাঞ্জলি কাব্যগ্রন্থ রচনার জন্য নোবেল পুরস্কার প্রাপ্তির মধ্য দিয়ে। তিনিই প্রথম এশীয় হিসেবে বিশ্বসাহিত্যের এই সর্বোচ্চ স্বীকৃতি অর্জন করেন। তিনি আমাদের সংস্কৃতির বহুত্ববাদ, অহিংস মতাদর্শ ও বাংলার মরমি-ভাববাদী চেতনার সমন্বয় সাধন করে বিশ্ববাসীর কাছে পৌঁছে দেন পরম মমতায়।

তারেক রহমান লেখেন, বর্তমান বিশ্বে চলমান যুদ্ধ-সংঘাত, বীরের রক্তস্রোত, মায়ের অশ্রুধারায় ক্ষতবিক্ষত, রক্তাক্ত পরিস্থিতি, উগ্রবাদের উত্থান, জাতিতে জাতিতে হানাহানি– এসবের কারণে রবীন্দ্রনাথ আরও বেশি প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠেছেন। মানুষের প্রত্যক্ষ কল্যাণ কামনায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর শিক্ষার বিভিন্ন পর্যায় নিয়ে ভেবেছেন। শিশুসহ নতুন প্রজন্মকে সুশিক্ষার আলোয় আলোকিত করার জন্য তিনি প্রতিষ্ঠা করেছেন শান্তিনিকেতন।


মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

আম ব্যবসা বন্ধে জামায়াত-শিবির নতুন ষড়যন্ত্র করছে: তারেক রহমা

1

রাজধানীতে নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে এলপি গ্যাস বিক্রি,

2

দক্ষিণ কোরিয়া যাচ্ছেন আসিফ মাহমুদ

3

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মদিন আজ

4

দক্ষতা উন্নয়নে নজর কম, ফ্রিল্যান্সার তৈরির হিড়িক

5

স্থানীয় সরকার নয়, জাতীয় নির্বাচন আগে চায় বিএনপিসহ বিভিন্ন দল

6

রাষ্ট্রের পচন শুরু হলে কোনো খাতই রেহাই পায় না: রুমিন ফারহানা

7

মতিঝিলে ইসলামী ব্যাংকের নতুন চেয়ারম্যানের পদত্যাগ দাবিতে বিক

8

রিকশাচালককে গুলি করে হত্যা মামলায় কারাগারে চিকিৎসকসহ পাঁচজন

9

ইসলামী ব্যাংক গ্রাহকদের শান্তিপূর্ণ মানববন্ধনে পুলিশের হামলা

10

খালেদা জিয়ার চিকিৎসায় বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের নিয়ে মেডিকেল বোর্ড

11

প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর প্রথমবার ঢাবিতে তারেক রহমান

12

প্রধান উপদেষ্টাকে মার্চে বেইজিং সফরে নিতে আগ্রহী চীন

13

সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিককে প্রাণনাশের হুমকি, জিডি

14

শিশুদের সঙ্গে আনন্দে মাতলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

15

তারকাবহুল আনন্দমেলা

16

ফেনীর লালপোলে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনা, নিহত বাবা-ছেলে

17

আরও বাড়তে যাচ্ছে জ্বালানি সংকট

18

মারা গেছেন তোফায়েল আহমেদ

19

সাংবাদিকদের দ্রুত অ্যাক্রিডিটেশন প্রদানের আহ্বান অনলাইন এডিট

20